Finally Game Release | The Mysterious Game Part 3
নীল আর রোহান কারেক্টার ডেপলপমেন্ট করছে। রোহান গেমে কিছু রোবোটিক কারেক্টার ক্রিয়েট করলো । তাতে একটি পাসওয়ার্ড ছিলো । এই রোবোটিক কারেক্টারের কাজ হচ্ছে যদি গেমের মেইন কারেক্টার বা যেকোনো কারেক্টার এই রোবটের কাছে গিয়ে পাসওয়ার্ডটি বলতে পারে তাহলে রোবোটিক কারেক্টারটি তার কথামতো কাজ করবে। পাসওয়ার্ড সহজে কিন্তু মেইন কারেক্টার জানতে পারবে না।এর জন্য সে একটা ক্লু দিয়ে রেখেছে রোহান। যাতে এই ক্লুর মাধ্যমে পাসওয়ার্ডটি খুঁজে পাবে।
নীল গেমের ভিতরে একটা কাগজের ম্যাপ বানালো আর কোডিং দিয়ে একটা রেনডম কাগজের ম্যাপ তৈরি হয়ে গেলো। যেহেতু এটা অপেন ওয়ার্ল্ড গেম তাই মেইন কারেক্টার বা যে কেউ যদি রাস্তা ভুলে যায় তাহলে এই রেনডম কাগজের ম্যাপের মাধ্যমে সে সব জায়গার লোকেশন দেখতে পারে। এই রেনডম কাগজের ম্যাপ টি অনেক জায়গায় সেট করে রাখলো।
রোহান ও নীলের এই রেনডম কাগজের ম্যাপটি দেখলো। তাতে রোহান একটু অবাকই হলো তার মনেই ছিলো না অপেন ওয়ার্ল্ড গেমে ম্যাপ অনন্ত জরুরি
-দারুন কাজ করেছিস রেনডম ম্যাপ টা অনেক কাজে লাগবে।
-হুমম আমি তখন থেকেই এটা ভাবছিলাম তাই ম্যাপটা বানালাম।
এর মাঝেই নাঈম বলতে লাগলো। ভাইরে আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না কখন খেলতে পারবো এই গেমটি। যা যা ফিচার এড করেছিস জাস্ট দেখার মতো।
-হ্যা রোবোটিক দারুন হইছে । পাসওয়ার্ড দিলেই তার কথা শুনবে। খুব ইন্টারেস্টিং লাগছে। (সুজন)
-আমি ও খেলার জন্য অপেক্ষা করছি। কখন গেম তৈরি শেষ হবে আর কখন খেলতে পারবো। আর যাইহোক কারেক্টার ডেপলপমেন্টের কাজ প্রায় শেষের দিকে। কিন্তু আমাদের কিছু ফিচারস এড করতে হবে। আর নাহিদ তর মাথায় কি কিছু ঢুকেছে। তখন থেকে দেখছি আমাদের দিকে ডেপডেপ করে তাকিয়ে আছিস। (রোহান)
-আরে বাদ দে নাহিদ এত তাড়াতাড়ি সহজে বুঝতে পারবে না। (নীল)
-হয়ত আমি কিছু বুঝতে পারবো না কিন্তু গেইমে কি কি থাকবে এটা তো বুঝলাম কিন্তু গেমের ভিতরে মিশন কি থাকবে এটা বুঝতে পারলাম না।
-হ্যা অনেক রকম মিশন থাকবে গেমের ফাইলটা অনেক বড় তাই গেমে হাজারো মিশন। যা কখনো শেষ হবার নয়। গেমে কিছু কিছু মিশন জিততে নিজের বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে। আবার কিছু কিছু মিশন গেমের কারেক্টারের মৃত্যু ও হতে পারে সাথে কঠিন মিশন ও আছে।
রোহান হালকা একটু থেমে আবার বলতে লাগলো।
তবে গেইমে একটা রুলস আছে গেমের কারেক্টার কে বাঁচতে হলে মিশন খেলতে হবে। মিশন না খেললে মৃত্যু নিশ্চিত। আবার মিশন জিততে না পারলে ও মৃত্যু। আর যদি মিশন জিততে পারে তাহলে গেমের কারেক্টার কে দুই দিনের Money Card দিবে। যেটার মাধ্যমে দুই দিন মিশন না খেলেও আরাম আয়েশে গেমের কারেক্টার বাঁচতে পারবে।আর ওই দুইদিন গেমের কারেক্টার স্বাধীনতা আর সব সুযোগ সুবিধা পাবে এবং সবকিছু ফ্রিতে নিতে পারবে।
-ভাই থাক আর বলিস না, তর গল্প শুনেই যে ইন্টারেস্টিং লাগছে কি বলবো। জীবন মৃত্যুর চরম একটা গেইম। (নাঈম)
-আর যাইহোক ছোট বয়সে এতটুকু বুঝলাম আমার গেমের কারেক্টার যদি কোনো মতে একটা মিশন জিততে পারে তাহলে দুইদিন আমার গেমের কারেক্টার আরাম আয়েশে কাটাবে। কিন্তু আমার কারেক্টার যদি মারা যায়। তাহলে কি আর নতুন করে ওই মিশন টা খেলতে পারবো না। (নাহিদ)
নাহিদের প্রশ্নে এবার নীলগভীর একটা দীর্ঘশ্বাস নেয় তারপর বলতে শুরু করে গেমের কঠিন একটা নিয়ম।গেমে মেইন কারেক্টার যদি একবার মরে যায় তাহলে আর গেম এ খেলতে পারবো না, গেম থেকে বের করে দিবে। এটা শুনে সুজন আর নাঈম অবাক হয়ে যায়
নীল অনেক কিছু ভেবে নাহিদ কে তার প্রশ্নের উত্তর দিলো।
-এটা যেহেতু ওয়ার্ল্ড সারভাইবাল গেইম তাই মেইন কারেক্টারের অনেক সাপোর্টার থাকবে। আর যদি কারেক্টার মারা যায়। রিয়েল লাইফের মতোই সে আর বাঁচবে না। আপাতত এটাই হচ্ছে আমাদের প্রাইম ভার্সন। একবার কারেক্টর মারা গেলেই আমরা আর মিশন খেলতে পারবে না।তবে কারেক্টার মারা গেলে আবার যেনো বাঁচতে পারে আর আবার ওই মিশন খেলতে পারে, লেটেস্ট আপডেটে এটা ফিক্সট করা হবে। (নীল)
-আজকের কাজ আপাতত শেষ। গেমের শুধু দুইটি কাজ বাকি আছে প্রথম টা হচ্ছে গেমের মেইন কারেক্টার যদি মারা যায় তাহলে আবার সে ফিরে আসবে এবং ওই মিশন টা খেলতে পারবে।আর আর একটা হচ্ছে যেহেতু গেমে বাক ফিক্স ছিলো যে গেমের কারেক্টার যদি মারা যায় তাহলে আর আমরা গেম খেলতে পারবো না। কিন্তু এই আপডেট হচ্ছে সবাই গেম থেকে বের হবার অপশন পাবে এবং গেম থেকে বের হবার পর আবার নতুন করে শুরু করতে পারবে। শুধু এটুকুই আপডেট বাকি আছে
-তাহলে তো গেমের কাজ শেষের পথে তাহলে লেটেস্ট আপডেটেড কখন করবি আর World wide এ কবে গেম পাবলিশ হবে। (সুজন)
-আমরা কালকের মধ্যেই গেমে লেটেস্ট আপডেটে এসব ফিক্স করবো এবং এই গেমের বেটা ভার্সন Android Os Device গুলোর জন্য রিলিজ দিবো আর মেইন ভার্সন পিসির জন্য রিলিজ দিবো। তার আগে বেটা ভার্সনটা লোকজনের পছন্দ হলে তবেই Android And PC দুই প্লাটফর্মের জন্যই রিলিজ দেওয়া হবে। (নীল)
-বেটা ভার্সনটা কি আমরা আজকে খেলতে পারবো android ফোনে তে যেহেতু আমাদের কম্পিউটার নাই। (নাঈম)
-না কাল কে শুরু করবো আজকে apk obb file রেডি করতে হবে। নীল
-হুমম আজকে তাহলে চলো সবাই বাসায় যাই একটু পর রাত হতে চলেছে এখানে আর বেশিক্ষণ থাকা যাবে না আর নীল বেটা ভার্সনটা রেডি করে রাখিস কালকে আমরা সবাই মিলে খেলবো। যাতে গেমটা আমাদের কাছে User Friendly হয় তাহলে আমরা বেটা ভার্সনটা Global এ রিলিজ দিবো। (রোহান)
-হ্যা তোরা এখন যা। রাত হলে বাসায় না ফিরলে আংকেল আন্টিরা আবার টেনশন করবে।
তারপর রোহান নাহিদ সুজন আর নাঈম সবাই ল্যাব থেকে বের হয়ে গেলো তারপর যে যার বাসায় চলে গেলো। রোহান বাসায় ফিরেই দেখলো তার আব্বু আম্মু নানুর বাসা থেকে ফিরে এসেছ। রোহান খেয়াল করলো রিয়াদ তার রুমে পড়াশোনা করছে। রোহান নিজের রুমে গিয়ে পড়াশোনা তে মনোযোগ দিলো। রাত ৮ টায় রোহানের আম্মু এসে রোহান কে খাওয়া দাওয়া করার জন্য ডাকলো।
রোহান খাওয়া দাওয়া করে তার ল্যাপটপ টা অন করলো আর একটু গ্রাফিক্সের কাজ করতে লাগলো। আর কালকে গেমের লেটেস্ট আপডেটের জন্য কিছু কোডিং শিখতে লাগলো যেগুলো কাজে লাগতে পারে। সবকাজ হয়ে গেলে রোহান শুয়ে পড়লো আর ভাবতে লাগলো গেমের বিষয়ে সে অনেক এক্সাইটেড হয়ে আছে গেম খেলার জন্য এত বছরের মেহনত তাদের গেমের পেছনে।
চলবে
Writer: MD Rohan Islam
Waiting for the next Part

নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url